চকলেট দিয়ে ছোট বোনকে লাগলাম🥵
আমার বয়স ২০, কলেজের শেষ বর্ষের পড়াশোনা করছি। পড়াশোনা বেশ ভালোই ছিলাম তবে কলেজ সংসদে যোগদান করার পর থেকে এক নতুন জীবন শুরু হলো যেন।প্রথম বর্ষে স্কলারশিপ এর জন্য অফিসে ঘুরে ঘুরে বৃথা জুতোর সুকতলা খয়ে গেল তখন কোনো এক সুধী আমাকে পরামর্শ দিয়েছিল কলেজ সংসদে গিয়ে দেখতে ওদের নাকি অনেক ক্ষমতা, চাইলেই আমার কাজ 1দিনেই হয়ে যাবে!
দুরুদরু বুকে একরাশ আশা নিয়ে যখন সংসদের দরজায় উকিঝুকি দিচ্ছি তখন এক মধুর অথচ দৃঢ মেয়েলি স্বর আমায় উদ্দেশ করে ভেসে এলো, কি বে কি চাই?
শব্দের উৎস লক্ষ করে দেখি এক সুন্দরী অথচ কেমন যেন চোখে মুখে বেপরোয়া ভাব, চুল গুলো বয়কাট, সি*গা*রে*টের ধোয়া ছাড়তে ছাড়তে বলছে, এখন আমি ছাড়া কেউ নেই, দরকার কাকে?
আমি কাচুমাচু হয়ে বললাম তা ত জানি না, স্কলারশিপের জন্য এসেছিলাম, আসলে ঘুরে ঘুরেও কিছুই করতে পারছি না, তাই একটু সাহায্যের জন্য এসেছি।
-মেয়েটি বললো~এখানে কোনো কাজ করতে গেলে আগে সংসদের মেম্বার হতে হবে, প্রতিদিন হাজিরা দিয়ে যেতে হবে, মিটিং মিছিলে যেতে হবে।
যদি পারিস ত জুতো খুলে ভেতরে ঢুকে আয়।
-কোন কথা না বাড়িয়ে ঢুকে গেলাম ভিতরে, যাবতীয় ডিটেইলস দিয়ে কর্মী পদে নাম টা লিখিয়ে ফেললাম।
পরের দিনই অফিসে যেতেই সব কাজ জলের মতো হয়ে গেল।
হাজিরা দিতে প্রতিদিন যেতে হয়, প্রতিদিন সাক্ষাৎ হতে শুরু করলো মিনাক্ক্ষীদির সাথে। মাঝারি লম্বাটে গড়ন, গায়ের রং উজ্জ্বল শ্যামবর্ণ, পরনে শার্ট, সবসময় দুটো বোতাম খোলা, ফোল্ড করে কনুই অব্দি গোটানো, আর তার সাথে ফেডেড জিনিস, ডান হাতে স্পোর্টস ঘড়ি।শ/রী/রের মাপ সঠিক বোঝা মুশকিল তবে বেশ আকর্ষণীয়, জা/মার ফা/ক দিয়ে যতটুকু বোঝা যায় স্ত/নযু/গল বেশ সুগঠিত। প্রতিদিন শুধু ওই ফা/ক দিয়ে স্ত/নের বিভা/জিকা দেখার জন্য ছুটে ছুটে যাই।
আর বাড়ি এসে চটি গল্প পড়তে পড়তে ওকে ভেবে বাঁ/ড়া খেঁচাই।
এরকম বেশ চলছিল একদিন সন্ধেবেলা বই এর ফাঁকে ফোন নিয়ে চটি পড়ছি হটাৎ বন্ধুর ডাকে দৌড়ে বেরিয়ে গেলাম। এক রাউন্ড সি/গ/রেট টেনে কিছুক্ষন পর যখন বাড়ি ফিরছি হটাৎ মনে হলো ফোনটা তো না নিয়েই চলে এসেছি, বোধয় বন্ধ ও করিনি।
মনে হতেই দৌড়ে ঘরে ঢুকেই দেখি বোন আমাকে দেখে শ/ট করে ফোন টা রেখেই পা/লা/লো।
ফোন খুলে দেখি চটির পেজ খোলা।
আমরা তিন ভাই বোন, এক দিদি আমি আর আমার ছোট বোন।
বোনকে দেখলে মনে হয় আমারই সমবয়সী।
বোন আর আমার পাশাপাশি
ঘর,মাঝে মাঝে আমার ফোন নিয়ে ফেসবুক চালায়, সেরকমই হয়তো উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছিল। আর আমিও তাড়াতাড়িতে পেজটা না কেটেই চলে গেছি । ও কি দেখলো ! নাই যদি দেখে এমন করে চলে গেল কেন?
আমি ভয়ে ভয়ে ওর ঘরে গেলাম যদি বাড়িতে বলে দেয় সর্বনাশ হয়ে যাবে।
রুমে গিয়ে দেখি বো/ন আমার নিজের বু/কেই হা/ত বো/লাচ্ছে, দেরি না করে ক্যামেরা নিয়ে এসে দুটো ছবি তুলে ঘরে ঢুকলাম আচমকা।
আমায় দেখে ভুত দেখার মতো লাফিয়ে উঠলো
-দাদা…তুই এখানে!!!
-আমি ভুরু নাচিয়ে বললাম কিরে কি করছিলিস।
-সে ভয়ে ভয়ে বললো কৈ কিছু নাতো।
-তাই তাহলে এগুলো কি! ছবি গুলো মুখের সামনে ধরলাম।
-প্রায় কেঁদে উঠে বললো বাড়িতে বলিস না। তুই যা বলবি তাই করব। আর কোনদিন হবে না এসব।এবারের মতো…
-কথা শেষ করতে না দিয়েই জ/ড়ি/য়ে ধরলাম, আহ …
-দেখলাম কিছু বললো না, সা/হ/স বেশ বেড়ে গেল, আস্তে আস্তে পিঠ থেকে ব**গলের ফাক দিয়ে দু***ধে আলতো করে হাত রাখলাম।
দেখলাম এবার ও কিছু বললো না। সা/হ/স আমার আরও বেড়ে গেল, এবার কো/লের মাঝখানে বসিয়ে পিছন থেকে দু**ধ দুটো আলতো করে চাপ দিলাম, মনে হলো ওর শ/রী/রটা যেন একটু কেপে উঠলো।
এবার দু হাতের পাঞ্জায় দু**ধু দুটোকে নিয়ে টিপতে লাগলাম।
মামা কি বলবো অমন ক/চি দু/ধ ড/লতে কিযে আরাম কি বলবো, আরামে চোখ দুটো বুজে এলো
ওর ট/প টার নিচে দিয়ে হাত ভরতে যাবো এমন সময় বোন বাধা দিয়ে ফিসফিসিয়ে বলল কেউ চলে আসবে এখন…ছা/র…
আমিও টি/পতে টি/পতে বললাম কেমন লাগছে!
-জো/রে স্বাস নিয়ে বললো খুব আরাম হচ্ছে রে দাদা।
-তাহলে আর একটু …
-না কেউ এসে যাবে বলছি ছাড় না এখন..আমি ত আর চলে যাচ্ছি না কোথাও…
আমার মনে একটা দুস্টু হাসি খেলে গেল তার মানে…
উফফফ…
আনন্দে ওর গালে একটা চু/মু দিয়েই ছুটে পালালাম…
বাকি সন্ধেটা একটা আনন্দে কেটে গেল, মাঝে একবার ওষুধের দোকানে গিয়ে নি/রো/দ কিনে নিয়ে রাখলাম।বলা যায় না কখন কি হয় আর কি!
রাত্রের খাবার খেয়ে যখন ঘরে এলাম তখন দেখি ঘড়িতে ১১টা
বাড়ির সকলে মোটামুটি ঘুমায় ১২টা কি ১২.৩০টায়।
সময় যেন কাটে না। উৎসাহে ২৫০ গ্রাম কাজু খেয়ে ফেললাম।
ঠিক যখন কাটায় কাটায় ১২.৩০ তখন বোনের ঘরের দরজায় গিয়ে দেখি দরজা ভিতর থেকে খোলা, শুধু ভেজানো আছে। কিন্তু সমস্যা একটাই আমার বিধবা পিসি রাত্রে বোনের সাথে সোয়।
পিসি বিধবা, বয়স ৪৫+
পিসির কোনো সন্তান নেই, বিয়ের বছর ঘুরতে না ঘুরতে
পিসেমশাই মা/রা যায়।
শশুর বাড়িতেও জায়গা দেয়নি, অপয়া বলে তাড়িয়ে দিয়েছে।
সেই থেকে পিসি বাপের ঘরেই থাকে।
যায় হোক, দরজাটা হালকা খুলে খুব সন্তপনে হামাগুড়ি দিয়ে ঘরে ঢুকলাম, ঘর নীল আলোর বন্যায় ভেসে যাচ্ছে, এক মায়াময় পরিবেশ। ঠাওর করে মনে হলো বোন খাটের বাঁ দিকে ঘুমাচ্ছে, আস্তে আস্তে তার দিকে গিয়ে খাটের পাশে বসলাম। দেখি সে অকাতরে ঘুমাচ্ছে, কোনো শব্দ না করে আস্তে আস্তে চাদর এর মধ্যে দিয়ে হাত পুরে দিলাম, আস্তে আস্তে টি/পতে লাগলাম, দেখি শুধু একটা গে/ঞ্জি মতো কি প/রে আছে , নিচে আর কিছু নেই,
বেশ সুবিধা ই হলো, গে/ঞ্জির নি/চে দিয়ে হাত ভরে বেশ চটকাতে লাগলাম,
হাতে তখন আমার স্ব/র্গ, কখনো টিপছি কখনো দু/ধে/র চারদিকে আঙুল ঘোড়াচ্ছি, আবার কখনো বোঁ/টা গুলো বেশ করে কষিয়ে মূলে দিচ্ছি
সে কি আরাম যারা এখনো দু**ধে হাত দেননি তাদের বোঝানো খুব কঠিন, কিন্তু যারা দু/ধে/র চটকানোর স্বাদ একবার পেয়েছে তাদের এখন শুনেই খাঁ/ড়া হয়ে যাবে।
দু**ধ চটকানো হলে পে**টে আস্তে আস্তে হাত বোলতে বোলাতে নিচের দিকে নেমে যাচ্ছি, যত মোহনার দিকে যাচ্ছে তত উত্তেজনাও বাড়ছে।
এই বয়সে এত্ত লোম হয়েছে গু/দে/র পাশে! আমি ত অবাক, সে যাই হোক তখন ওসব ভাবার সময়ও নেই।******
চেরা জায়গাটায় হাত পড়তেই শরীর টা কেমন জানি কেপে উঠলো।
আমল না দিয়ে বেশ করে আঙুল দিয়ে ঘষতে লাগলাম। দেখি গু/দ পুরো ভিজে গেছে, 1টা আঙুল দিতেই গি/লে নিল তারপর আবার একটা আঙুল দিতেই সেটাও আরামসে ঢু/কে যেতেই আমি অবাক।
কিন্তু তখন সে কথা বি/চার করার সময় কৈ!*******
দুই আঙুল দিয়ে গু**দে ঢোকাচ্ছি আর বার করছি..দেখি হালকা একটা শি/ৎকার ভেসে উঠেও মিলিয়ে গেল।আমি চাদরের ফা/ক দিযে দু**ধে একবার মুখ দিতেই, ওপর পাশের শুয়ে থাকা মূ/র্তি টা নড়ে উঠতেই আমি আবার সেইভাবে বেরিয়ে এলাম। এরপর সময় পেলেই দু**ধ টিপার আরাম নেই এখনও নিরোধ ব্যবহারের সুযোগ হয়নি। তবে আশায় আছি খুব শিগ্রই সে আশা পূরন হবে।

0 Comments